
Sir Thomas More (1478-1535
(স্যার টমাস মুর)
He was born in 1478 in London. He studied at Oxford. He started his career as a lawyer. He was expert in Latin. So he wrote both Latin and English. He has writ-ten some poems in English. But his immortal work is Utopia (1516) (Novel). It is written in Latin. Its subti-tle is Kingdom of Nowhere.
Thomas More এর বিখ্যাত গ্রন্থ The Utopia (Novel) এর সার-সংক্ষেপ :
The Utopia গ্রন্থটি Thomas More ল্যাটিন ভাষায় ১৫১৬ সালে রচনা করেন। আধুনিক সময়ে এটি বিশ্বের নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার মৃত্যুর পর ১৫৫১ সালে বইটি ইংরেজীতে অনুবাদ করা হয়। "ইউটোপিয়া'র গ্রীক অর্থ হচ্ছে "কোথাও না”। অর্থাৎ কোথাও কোনদিন যা ছিল না। কি ছিল না? একটি দেশ যে দেশটি কোথাও কোনদিন ছিল না। টমাস মুর সেই দেশটির চিত্র অংকন করেছেন। সেই দেশটির চিত্র অংকন করতে গিয়ে তিনি আর একটি দেশের চিত্র অংকন করেছেন যে দেশটিকে তিনি দেখেছেন এবং জেনেছেন ভালোভাবে। তাই গ্রন্থটির দুটি অংশ।
ইউটোপিয়ার প্রথম অংশ -
ব্যবসা উপলক্ষে লেখক যখন ফ্রান্সে গিয়েছেন, সেখানে হিল্লোডে নামক কোন নাবিকের সাথে পরিচয় হলো যে বিখ্যাত অভিযাত্রী আমেরিগো ভেসপুচির সাথে বহু দেশ ভ্রমণ করেছে। সুতরাং দেশভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে তার অনেক কিছু বলার আছে। টমাস মুর, র্যাফেল হিথলোড এবং একজন কার্ডিনাল একসঙ্গে একটি বাগিচার মধ্যে বসে নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে লাগল। র্যাফেল হিথলোডে ইংল্যান্ডে ভ্রমণ করেছে। সুতরাং তার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে সে ইংল্যান্ডে আইনের নির্দয়তা এবং সাধারণ মানুষের দারিদ্র্যের ভয়াবহতার বর্ণনা করল। সে দুর্নীতির কথা বলে, বলল: তোমাদের দেশে চুরির মূল কারণ কি জান?
কার্ডিনাল শুধাল, "কি সেটা?”
র্যাফেল বলল, “দেখুন মশাই, আপনার দেশের যে ভেড়াগুলি এত শান্ত, পোষমানা আর সামান্য আহার করত, সেই ভেড়াগুলি এখন এত অবাধ্য আর পেটুক হয়েছে, যে তারা এখন এদেশের মানুষকে ধরে ধরে খেয়ে ফেলছে। ফলে জমি থেকে চাষীকে উৎখাত করা হয়েছে। তারা কোথাও থাকবার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। যখন সর্বস্ব খোয়া গেছে তখন আর কি করতে পারে, আর চুরি করলেই ফাঁসি।"
এই হচ্ছে তদানীন্তন ইংল্যান্ডের ছবি। গরীবের বিরুদ্ধে ধনীর শোষণের ষড়যন্ত্রের ছবি।
ইউটোপিয়ার দ্বিতীয় অংশ :
ইংল্যান্ডের ভয়াবহ অবস্থার কথা মনে রেখেই র্যাফল হিথলোডে অজানা সমুদ্রের মাঝে এক অজানা দেশের অবস্থার কথা বর্ণনা করতে লাগল। র্যাফেল সেই দেশের সমস্ত ভালো আইন এবং ভালো সামাজিক ব্যবস্থার কথা বর্ণনা করল। সেই অজানা দেশে কোন দরিদ্র নেই। সামাজিক সমস্ত সম্পত্তি ও বেঁচে থাকার উপকরণ সর্বসাধারণের। ব্যক্তিগত মালিকানা বলতে কিছুই নেই। প্রত্যেক প্রতিবেশীর কল্যাণের কথা চিন্তা করে এবং প্রত্যেকের জন্য একটা সুন্দর ছিমছাম বাড়ী আছে। প্রত্যেকেই শ্রম করে, তবে নয় ঘন্টার অধিক শ্রম করতে হয় না। শ্রমের শেষে খেলাধুলা, লেখাপড়া করে। শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক। ম্যাজিস্ট্রেটরা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন। নির্বাচিত সরকার গঠন করা হয়। সামান্য আইন প্রচলিত আছে কিন্তু উকিল নেই। অন্যের ধর্মমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা নেই। প্রত্যেকে আইন মেনে চলে।
Read more